You are currently viewing এস ই ও http স্ট্যাটাস কোড | 13 Important SEO http status codes Bangla

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের নিকট 404, 301, 302, 200 ইত্যাদি সংখ্যা আপনার কাছে কিছুটা হলেও পরিচিত। এগুলোকে http স্ট্যাটাস কোড বলা হয়।

http স্ট্যাটাস কোড বুঝে আপনি ওয়েবসাইটের অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। অনেক সমস্যা বেড়ে যাবার পূর্বেই ওয়েবসাইটিকে ঠিক করে নিতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ আপনার ওয়েবসাইটটি ট্রান্সফার হচ্ছে বা ওয়েবসাইটের হোস্টিং আপডেট এর কাজ চলছে তখন আপনি ওয়েবসাইটের এস ই ও রাংকিং এর যেন ক্ষতি না হয় সেজন্য পদক্ষেপ নিতে পারবেন। এগুলো তখনই সম্ভব হবে যখন আপনি স্ট্যাটাস কোডগুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখবেন।

অর্থাৎ আপনাকে ধারণা রাখতে হবে স্ট্যাটাস কোড কী, কেন জরুরী, এবং এগুলোর অর্থ কী।

এস ই ও http স্ট্যাটাস কোড

সকল স্ট্যাটাস কোডের তালিকা দেখার পূর্বে জানতে হবে আসলে স্ট্যাটাস কোড কী জিনিস এবং এর প্রয়োজনীয়তা কী। ভাষা মানুষের সবচেয়ে বড় আবিষ্কার ছিল। ভাষার কারণে মানুষ অন্যান্য প্রাণীদের থেকে আলাদা। ভাষা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তবে ভাষার থেকেও পুরাতন মাধ্যম হলো অঙ্গভঙ্গি বা সংকেত।

ভাষা আর্টিফিশিয়াল। কিন্তু সংকেত প্রাকৃতিকভাবেই রয়েছে। দুইটি প্রাণী ইশারায় মনের ভাব প্রকাশ করে। ইশারা বিস্তারিত নয়। এটি মুহূর্তের বিষয়। তাড়াতাড়ি মনের ভাব বুঝিয়ে দেয়। এটি তখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয় যখন আপনি সকল কথা বলে বুঝাতে পারবেন না।

http স্ট্যাটাস কোড এক রকমের ইশারা। এই ইশারা বিনিময় হয় কম্পিউটারগুলোর মধ্যে। http এর পূর্ণরূপ হলো Hyper Text Transfer Protocol । এটি রিকুয়েস্ট রেস্পন্স প্রটোকল এর মতো কাজ করে থাকে।

যখন আপনি কোন ব্রাউজার ব্যবহার করে কোনো ওয়েবসাইট এ ভিজিট করতে চান সেক্ষত্রে ব্রাউজার হবে ক্লায়েন্ট অর্থাৎ আপনি। ওয়েবসাইটের সার্ভার হবে এক্ষেত্রে পরিবেশনকারী।

এক্ষেত্রে আপনার ব্রাউজার অর্থাৎ ক্লায়েন্ট একটি রিকোয়েস্ট পাঠায়। সে একটি পেইজ দেখতে বলে। এজন্য সার্ভারকে রেস্পন্স দিতে হয়। সার্ভার যে রেস্পন্স দিবে সেখানে স্ট্যাটাস কোড থাকবে। এটি বলবে ব্রাউজার থেকে যেই রিকুয়েস্ট গিয়েছে সেটিকে সে কী করেছে। এর সাথে কোড অনুযায়ী সে তথ্য দিবে।

উদাহরণস্বরূপ ব্রাউজারে আপনি abcd.com দেখতে চান। এজন্য ব্রাউজারে আপনি abcd.com লিখে এন্টার প্রেস করেন। এর ফলে ব্রাউজার থেকে একটি রিকোয়েস্ট যায় abcd.com এর সার্ভারে। abcd.com এর সার্ভার রিকোয়েস্ট এর উপর ভিত্তি করে রেস্পন্স দিবে। রেস্পন্স এ স্ট্যাটাস কোড থাকবে যেটি বলবে সব ঠিক আছে রিকোয়েস্ট পেয়ে গিয়েছি, এর উপরে কাজ চলছে।

এসকল স্ট্যাটাস কোড আগে থেকে ফিক্স করা থাকে। এর উদ্দেশ্য সকল কম্পিউটার এর জন্য একই হয়। এগুলো অনেক ছোট হয় যার ফলে ট্রান্সফারে সময় লাগে না। এজন্য কোনো ব্যান্ডউইথ লাগে না। ব্রাউজার জেনে যায় যে তথ্য দেখানো যাবে কিনা। আশা করি আপনারা স্ট্যাটাস কোড কী জিনিস, এর ব্যবহার কি এবং এটি গুরুত্বপূর্ণ কেন তা কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন।

বিভিন্ন http স্ট্যাটাস কোড এর প্রকারভেদ এবং অর্থ

সর্বমোট ৪৯৯ রকমের http স্ট্যাটাস কোড রয়েছে। তবে এই আর্টিকেলে আমরা সেসকল স্ট্যাটাস কোড নিয়ে কথা বলবো যেগুলো এস ই ও এর দিক থেকে চিন্তা করলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ৪৯৯ রকমের স্ট্যাটাস কোডগুলোকে পাঁচটি প্রধান ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যেতে পারে।

1XX http স্ট্যাটাস কোড

এই রেঞ্জের শুরু 100 থেকে এবং শেষ কোড 199। এগুলো ইনফর্মেশনাল কোড। 100 থেকে শুরু হয়ে 199 এ শেষ হওয়া কোডগুলো এস ই ও এর উদ্দেশ্যে কাজে লাগে না। তাই এগুলো আলোচনা করা হবেনা।

2XX http স্ট্যাটাস কোড

এই রেঞ্জের শুরু 200 থেকে এবং শেষ কোড 299। এগুলো সাকসেসফুল মেসেজ দেয়। এই পরিসরে তেমন কোন গুরুত্বপূর্ণ কোড নেই। আমরা এক্ষত্রে একটি স্ট্যাটাস কোডের কথাই বলবো। সেটি হলো 200।

200 http স্ট্যাটাস কোড

স্ট্যাটাস কোড 200 এর অর্থ হলো যেই রিকুয়েস্ট ব্রাউজার থেকে করা হয়েছিল সেটি সফল হয়েছে। ব্রাউজার যখন কোনো লিংক কে দেখতে চায় আর সেটি যদি 200 স্ট্যাটাস কোড দেয় এর অর্থ পেইজ লোড হবে। ওয়েবসাইট ভিজিটর পেইজটা দেখতে পাবে।

যদি কোন কারণে সার্ভার স্ট্যাটাস কোড 200 দেখাচ্ছে কিন্তু ব্রাউজারে বাস্তবে পেইজটি দেখা যাচ্ছে না। সেক্ষত্রে এটিকে Soft 404 Error বলা হবে। এজন্য ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল অডিট করার সময় বা সার্চ কনসোলে পাওয়া এরর বের করার সময় দেখা উচিত কোনো ব্রোকেন লিংকে কোন সার্ভার স্ট্যাটাস কোড 200 দেখাচ্ছে নাতো। যদি এমন হয় তাহলে সেটিকে ঠিক করতে হবে।

3XX http স্ট্যাটাস কোড

এই রেঞ্জের শুরু 300 থেকে এবং শেষ কোড 399। এগুলো রিডাইরেকশন মেসেজ দেয়।

301 http স্ট্যাটাস কোড

301 এর অর্থ Permanent Move। সার্ভার যদি ব্রাউজার কে এই কোড দেয় এর অর্থ হলো লিংকে থাকা কন্টেন্ট অন্য আরেকটি লিংকে স্থায়িভাবে শিফট হয়ে গিয়েছে এবং পাশাপাশি সার্ভার সাথে ওই নতুন লিংক কে কায়েন্টের নিকট পাঠাচ্ছে। 301 স্ট্যাটাস কোড দেয়ার ফলে সার্চ ইঞ্জিন আসল লিংকটিতে পাওয়া রাংকিং সিগনালগুলোকে নতুন পেইজে শিফট করে দেয়।

302 http স্ট্যাটাস কোড

302 এর অর্থ Found সার্ভার যদি ব্রাউজার কে এই কোড দেয় এর অর্থ হলো লিংকে থাকা কন্টেন্ট অন্য আরেকটি লিংকে পাওয়া গিয়েছে। এক্ষেত্রে রেস্পন্স ও ঠিক আছে। তবে এটি সাময়িক এবং আসল পেইজের রাংকিং সিগনালগুলো এই নতুন পেইজে শিফট হবে না। ছোট করে বলা যায়, পাওয়া গিয়েছে তবে এটি সাময়িক। আসল পেইজটির কোনো রাংকিং সিগনাল এতে আসবে না।

তবে সবসময় মাথায় রাখবেন, কোনো একটি লিংক কে বেশি সময় ধরে 302 স্ট্যাটাস কোড দিলে একটা সময় পর সার্চ ইঞ্জিন সেটিকে 301 স্ট্যাটাস কোড হিসেবে ধরে নেয়। 302 স্ট্যাটাস কোড প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেই ব্যাবহার করুন। কম সময়ের জন্য ব্যাবহার করুন। বেশিদিন রাখা উচিত না।

303 http স্ট্যাটাস কোড

303 এর অর্থ See other। 301 এর মতোই সার্চ ইঞ্জিনের রাংকিং সিগনালগুলোকে ট্রান্সফার করে। তবে এটি সীমিত ক্ষেত্রে ব্যাবহার করা যায়। এটি শুধু সেক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় যখন আপনি ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে অন্য আরেকটি পেইজে পাঠাতে না পারেন।

উদাহরণ হিসাবে কন্টাক্ট ফর্ম এর কথা বলা যেতে পারে। ওয়েবসাইট ব্যবহারকারী একটি ফর্ম ফিলআপ করে ব্যাক বাটনে প্রেস করে তাহলে ফর্মটি আবার ফিলআপ হতে পারে। এটি থেকে বাঁচার জন্য আপনি ওই পেইজটিকে 303 স্ট্যাটাস কোড এর মাধ্যমে অন্য আরেকটি পেইজে রিডাইরেক্ট করতে পারেন। তবে এটিকে 301 স্ট্যাটাস কোড এর মত ব্যবহার করা যায় না।

304 http স্ট্যাটাস কোড

304 এর অর্থ Not changed। ব্রাউজার ওয়েবসাইটের পেজগুলোর ক্যাশ করে রাখে। যখন ব্যবহারকারী এমন কোনো পেইজে ভিজিট করে যেটি ব্রাউজারের ক্যাশ এ সেইভ করা আছে তখন ব্রাউজার সেই ক্যাশ করে রাখা ওয়েবসাইট ভার্সনটিকে দেখায়। তবে এটি সম্ভব যে ওয়েবসাইটের ওই পেইজটি আপডেট হয়েছে। তখন এই সমস্যাকে সমাধান করা হয় 304 স্ট্যাটাস কোড ব্যাবহার করে। যদি ব্রাউজার কোনো লিংক এ প্রবেশ করে এবং সার্ভার 304 স্ট্যাটাস কোড দেয় এর অর্থ হয় যে কন্টেন্ট পরিবর্তিত হয়নি, ব্রাউজার নিজের কাছে রেখে দেয়া ক্যাশ করা ভার্সন দেখাতে পারবে।

4XX http স্ট্যাটাস কোড

এই রেঞ্জের শুরু 400 থেকে এবং শেষ কোড 499। ক্লায়েন্ট এর দ্বারা সৃষ্ট ত্রুটি বা ক্লায়েন্টই ঠিক করতে সক্ষম এমন ত্রুটি থাকলে এমন মেসেজ দেয়। এগুলোকে ক্লায়েন্ট এর ত্রুটি বলা হয়।

401 http স্ট্যাটাস কোড

401 এর অর্থ Unauthorized। 401 স্ট্যাটাস কোড তখন ব্যবহার করা হয় যখন আমরা কোন পেইজে অথেনটিকেশন থাকে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো পেইজে প্রবেশের জন্য ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড এর কম্বিনেশনের প্রয়োজন পড়ে কিংবা কোনো একটি স্পেসিফিক আইপি এড্রেসকে ওয়েবসাইট ব্লক করে দিয়ে থাকে তখন সার্ভার ব্রাউজারকে স্ট্যাটাস কোড 401 দেখাবে।

403 http স্ট্যাটাস কোড

403 এর অর্থ Forbidden। 403 স্ট্যাটাস কোড দিয়ে ব্রাউজার কে বলে যে ব্যবহারকারী ইউ আর এল টিকে একসেস করতে পারবে না। 401 এবং 403 স্ট্যাটাস কোড অনেক ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

403 http স্ট্যাটাস কোড

উদাহরণস্বরূপ কোনো একটি পেজে একসেস করার জন্য ব্যবহারকারীকে লগ ইন করার প্রয়োজন হয় যেটি সে দেয় নি। এক্ষেত্রে সার্ভারের 401 স্ট্যাটাস কোড দেয়া উচিত। কিন্তু ব্যাবহারকারি ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়েছে কিন্তু তা সঠিক নয়। এক্ষেত্রে সার্ভারের 403 স্ট্যাটাস কোড দেয়া উচিত।

404 http স্ট্যাটাস কোড

404 এর অর্থ Not Found। এটি অনেক পরিচিত স্ট্যাটাস কোড। 404 স্ট্যাটাস কোড দ্বারা বোঝায় ইউজার ওয়েবসাইটে যা খুঁজছে তা সার্ভারে নেই। 404 স্ট্যাটাস কোড সার্ভার এর ত্রুটি নয়। এটি ওয়েবসাইট এর ক্লায়েন্ট বা ওয়েবসাইট পরিচালনাকারীর দ্বারা সৃষ্ট কোনো ত্রুটি। সঠিক ইউআরএল দেয়ার দায়িত্ত ওয়েবসাইট পরিচালনাকারীর। ওয়েবসাইট পরিচালনাকারীর কাছ থেকে যা সে পাবে সার্ভার শুধু তাই দেখাবে।

404 http স্ট্যাটাস কোড

সার্ভারে সঠিক ইউআরএল থাকার পরও সার্ভার 404 স্ট্যাটাস কোড দেখালে তা ডেভেলপার এর দ্বারা সৃষ্ট কোনো ত্রুটি কিংবা কোনো টেকনিক্যাল ভুল যা দ্রুত খুঁজে বের করে সমাধান করা উচিত।

410 http স্ট্যাটাস কোড

410 এর অর্থ Gone। উদাহরণস্বরূপ একটি পেজ রয়েছে abcd.com/page1.html। ধরে নিন এটির আপনার কোনো প্রয়োজন নেই, যার ফলে আপনি তা একবারে সরিয়ে ফেলেছেন। এজন্য আপনি ব্রাউজারকে 410 স্ট্যাটাস কোড দিতে পারেন। এটি সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্রাউজারকে বলবে এই পেইজটি একসময় ছিল কিন্তু এটিকে ওয়েবসাইট থেকে একবারে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এই স্ট্যাটাস কোডটি দেখে সার্চ ইঞ্জিন এরকম পেইজকে দ্রুততার সাথে সার্চ রেজাল্ট থেকে সরিয়ে ফেলে।

যদি আপনি চান আপনার ওয়েবসাইটের পুরোনো পেইজগুলোর ভুত সার্চ রেজাল্ট থেকে দ্রুত সরে যাক তাহলে সেসকল ইউআরএল এর জন্য আপনি 410 স্ট্যাটাস কোড ব্যবহার করুন।

429 http স্ট্যাটাস কোড

429 স্ট্যাটাস কোড এর অর্থ Too Many Requests। যখন আপনি কোনো ক্লায়েন্টকে বা ব্রাউজকারকে এই স্ট্যাটাস কোড দেন এর অর্থ দাঁড়াবে যে ব্রাউজার সার্ভারে খুব কম সময়ের মধ্যে অনেক বেশি সংখ্যক রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছে।

451 http স্ট্যাটাস কোড

এই রেঞ্জের শেষ স্ট্যাটাস কোড হলো 451। এর অর্থ Unavailable For Legal Reasons। 451 স্ট্যাটাস কোড সেসময় ব্যবহার করা যায় যখন কোনো লিগ্যাল কারণে আপনার ওয়েবসাইটের কোনো কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলা হয়।

5XX http স্ট্যাটাস কোড

এই রেঞ্জের শুরু 500 থেকে এবং শেষ কোড 499। সার্ভার এ ত্রুটি থাকলে এমন মেসেজ দেয়। এই স্ট্যাটাস কোড ব্যবহার করে সার্চ ইঞ্জিন বটকে আপনি বলতে পারেন যে সার্চ ইঞ্জিন বট অনেক দ্রুততার সাথে ক্রল করছে। ক্রলিংকে স্লো করা জরুরী, যাতে ওয়েবসাইট হিউম্যান ভিজিটরদের জন্য ধীরগতিসম্পন্ন হয়ে না যায়। এই গ্রুপের দুটি স্ট্যাটাস কোড সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

500 http স্ট্যাটাস কোড

500 স্ট্যাটাস কোড এর অর্থ Internal Server Error। এটি দ্বারা বুঝায় সার্ভার ক্লায়েন্ট এর রিকোয়েস্ট রাখতে পারে নি। এ ছাড়া তার কাছে কোনো তথ্য নেই।

500 http স্ট্যাটাস কোড

500 স্ট্যাটাস কোড পাবার পর আপনার উচিত হোস্টিং প্রোভাইডার এর সাথে যোগাযোগ করা। আর এর সাথে দেখা উচিত আপনি যদি কোনো সি এম এস ( কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ) ব্যবহার করে থাকেন তাহলে সেটি সঠিকভাবে সেটআপ করা আছে কিনা।

তবে এটি সার্ভার সম্পর্কিত। তাই প্রথমেই হোস্টিং প্রোভাইডারদের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।

503 http স্ট্যাটাস কোড

503 স্ট্যাটাস কোড এর অর্থ Service Unavailable। এটি দ্বারা বোঝায় সার্ভার সাময়িকভাবে কাজ করছে না। কিছু সময় পর আবার ঠিক হয়ে যাবে। এটি সার্ভার কিংবা ওয়েবসাইটের মেইনটেনেন্স এর সময়ও আসতে পারে। এছাড়া সার্ভার আপনার ওয়েবসাইটের ট্রাফিক হ্যান্ডেল না করতে পারলেও এমন দেখাতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার উচিত হোস্টিং কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করা। এই সমস্যা হোস্টিং কোম্পানির সাথে যোগাযোগ করেই সমাধান করা যাবে।

এ ছাড়া ওয়েবসাইট মাইগ্রেশন বা উন্নয়নের সময় এটি ব্যাবহার করা হয়। ওয়েবসাইটটিকে স্বল্প সময়ের জন্য ডাউন রাখতে চাইলে এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে বলা যায় কিছু সময়ের জন্যে সাইটটি নেই। সামান্য কিছু সময় পরেই এটি আবার পাওয়া যাবে। এতে করে আপনার ওয়েবসাইটের সার্চ ইঞ্জিন রাংকিং এ তেমন কোনো প্রভাব পড়বে না। তবে মনে রাখবেন এটি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটটির সার্চ ইঞ্জিনের রাংকিং নিচে নামা থেকে আপনি সর্বোচ্চ ১ থেকে ২ দিন বাঁচাতে পারবেন।

এর সাথে আপনি retry-after: কোডকেও হেডার সেকশনে যুক্ত করতে পারেন। এটি সার্চ ইঞ্জিনকে বলে সাইটটি কয় সেকেন্ড পরে আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। এখানে ভ্যালু সেকেন্ডে বসাতে হয়। উদাহরণস্বরূপ আপনার সাইট চার ঘন্টার জন্য না থাকলে আপনি retry-after: এর সাথে 14400 ব্যাবহার করতে পারেন। দুই দিন যদি সর্বোচ্চ সময় হয় তাহলে এই মান 172800 এর বেশি যেন না হয় তা খেয়াল রাখবেন।

এই ছিল এস ই ও তে ব্যাবহৃত আমাদের সুপরিচিত কিছু http স্ট্যাটাস কোড। এগুলো হয়ত আপনি দেখতে পান। কিংবা আপনাকে ব্যাবহার করতে হয় জরুরি প্রয়োজনে। এগুলো ব্যাবহার করার মাধ্যমে সার্ভার কিংবা ক্লায়েন্টের কোনো ত্রুটির দরুন আপনার এস ই ও ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

Monjirul

I am passionate about content publishing in Blogger and WordPress. I am working on many blogs. But Travel Nature Exhibition is my favorite one. The website address is travelnature.info

Leave a Reply