You are currently viewing ব্লগ কন্টেন্ট লিখার টিপস | 9 Top content writing tips Bangla

এই আর্টিকেলে ব্লগিং এর জন্য কিছু কন্টেন্ট লিখার টিপস দেয়া হয়েছে। এগুলো কিছুটা হলেও আপনাকে কন্টেন্ট রাইটিংয়ে ভালো করতে সাহায্য করবে।

ব্লগার এবং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজারদের জন্য একটি স্কিল কমন। সেটি হলো কন্টেন্ট লিখা। এস ই ও এর জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। তারপরেও এদিকে কম নজর দেয়া হয়।

এই আর্টিকেলটি পড়ার পর আপনি জানতে পারবেন এস ই ও গাইডলাইন কে মাথায় রেখে কিভাবে ভালো কন্টেন্ট লিখা যেতে পারে। অন পেইজ এস ই ও, টেকনিক্যাল এস ই ও কিংবা লিংক বিল্ডিং এ ফোকাস রাখলে এই কন্টেন্ট লিখার টিপসগুলো কাজে লাগবে।

কন্টেন্ট রাইটাররা রাইটিং এর দিকে বেশি ফোকাস করে থাকেন। কন্টেন্টকে সঠিকভাবে লিখে পাঠকদের নিকট বিষয়বস্তুকে বোধগম্য করার চেষ্টা করেন। অপরদিকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজাররা কন্টেন্ট লিখার দিকে কম ফোকাস করে থাকেন।

কন্টেন্ট লেখার মৌলিক বিষয় গুলো শিখে একজন ভাল ওয়েব কন্টেন্ট রাইটার হতে পারেন। কনটেন্ট রাইটিং এর ফান্ডামেন্টালস শিখে ক্যারিয়ার শুরু করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনাকে সঠিকভাবে লিখার পদ্ধতি জানতে হবে। তাহলেই আপনি সফল হতে পারবেন, পাশাপাশি ভালো কন্টেন্ট চিনতে পারবেন। আগেই একটা বিশয় জানিয়ে দেয়া ভালো হবে যে, আপনার এই টিপস গুলো জানার পরে সফল হবার সম্ভাবনা তত বেশি হবে যত বেশি আপনি প্রাকটিস করবেন।

কিছু কিছু লেখক শুরু থেকেই ভালো লিখে থাকেন। যেমন, কবি, সাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, গল্প লেখক। তারা তাদের মনের কথা সঠিকভাবে লিখে প্রকাশ করতে পারেন। কারণ তারা প্রকৃত মেধাবী। বাকি আমরা যারা সাধারণ ব্যক্তি আছি, তাদের অনেক প্রাকটিস এবং কষ্ট করতে হয়।

আজকের কন্টেন্ট লিখার টিপসগুলো জানার পরে আপনি বুঝতে পারবেন আপনাকে কোন দিকে কতটা কাজ করতে হবে। সফলতার বাকিটুকু আপনার উপর নির্ভর করবে। অন পেইজ এস ই ও এবং কন্টেন্ট রাইটিং সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস। কন্টেন্ট রাইটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু ভালো লিখাই অন পেইজ এস ই ও নয়।

কন্টেন্ট লিখার টিপস

ব্লগিং এর জন্য কন্টেন্ট লিখার টিপস গুলোকে আমরা দুটি ভাগে আলোচনা করবো।

  1. মৌলিক অনুশীলন
  2. দীর্ঘ মেয়াদী অনুশীলন

প্রথমে আমরা মৌলিক অনুশীলন নিয়ে আলোচনা করবো।

মৌলিক অনুশীলন

  1. ছোট বাক্য এবং ছোট প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করবেন
  2. কম্পিটিটর এর লেখা পড়বেন না
  3. সঠিকভাবে হেডিং ব্যবহার করুন
  4. লেখাগুলো ভালোভাবে সাজান
  5. কি ওয়ার্ডকে সঠিক স্থানে ব্যবহার করুন

ছোট বাক্য এবং ছোট প্যারাগ্রাফ ব্যবহার করবেন

মৌলিক অনুশীলন এ প্রথম কন্টেন্ট লিখার টিপস টি হলো ছোট বাক্য ব্যবহার করবেন। আপনি যেই ভাষাতেই লিখেন না কেন ছোট ছোট বাক্য ব্যবহার করে একটি বিষয় নিয়ে আপনার জ্ঞান তুলে ধরবেন। ব্লগ, ওয়েবসাইট কিংবা যেকোনো কারণেই কন্টেন্ট লিখেন না কেন এদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। আপনি যদি চান সার্চ ইঞ্জিন আপনার লিখাকে রাঙ্কিং এ নিয়ে আসুক, আপনার লিখাটিকে বুঝতে পারুক এবং সাধারণ পাঠক সার্চের শুরুতে আপনার কন্টেন্টকেই দেখতে পাক তাহলে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ছোট এবং সহজ বাক্য ব্যবহার করে কন্টেন্ট লিখবেন। প্যারাগ্রাফ গুলোও ছোট রাখবেন। ছোট এবং সহজ বাক্য ব্যবহার করা আর্টিকেলের রাঙ্কিং হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এর পেছনে দুইটি কারণ রয়েছে।

প্রথম কারণ

সার্চ ইঞ্জিন এখনো মানুষের ভাষাকে সঠিকভাবে বুঝতে পারে না। কয়েকবছর আগেই ওপেন এ আই আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স কে ভিত্তি করে ল্যাংগুয়েজ মডেল জি পি ডি ৩ প্রকাশ করেছে। এটিতে প্রায় ১৭৫ বিলিয়ন ল্যাংগুয়েজ প্যারামিটার রয়েছে। তবুও এটি ১০০ ভাগ সঠিকভাবে কাজ করে না।

তাই সাধারণ সার্চ ইঞ্জিন এর অনেক জটিল বাক্য বুঝতে পারার সম্ভাবনা অনেক কম। যদি সার্চ ইঞ্জিন আপনার লিখাকে বুঝতে না পারে তাহলে সঠিক কি ওয়ার্ড এর জন্য রাঙ্কিং এও আসবে না। এজন্য ছোট বাক্য ভালো। তাই ছোট বাক্য ব্যবহার করুন।

দ্বিতীয় কারণ

আপনার লেখার পাঠকদের বুঝতে পারার ক্ষমতা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। যা আপনার নিকট কমন সেন্স মনে হচ্ছে তা আপনার পাঠকদের নিকট কঠিন মনে হতে পারে। এটাই স্বাভাবিক। সার্চ ইঞ্জিন বিভিন্ন প্রকারের পাঠকদের নিকট লিখা পৌঁছায়। এজন্য আপনি যখন সাধারণ ভাষায় বুঝান তখন আপনার লিখা বেশি সংখক পাঠকদের নিকট পৌঁছানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যার ফলে বেশি সংখ্যক পাঠক আপনার লিখা উৎসাহ সহকারে পড়বে।

যেকোনো টপিক নিয়ে বলা বা লিখা সহজ। কিন্তু সেটিকে সহজভাষায়, সহজভাবে উপস্থাপন করা কঠিন।

কম্পিটিটর এর লেখা পড়বেন না

অনেক ব্যক্তি আপনাকে উপদেশ দিবে যে আপনার অবশ্যই কম্পিটিটর এর লেখা পড়া উচিত। এরপর কম্পিটিটর এর লেখায় যে সকল কিওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়েছে সেই সংখ্যক কিওয়ার্ড, হেডিং এর চেয়ে বেশি কিওয়ার্ড, হেডিং ব্যবহার করা উচিত। কিন্তু এগুলো করে কোনো লাভ হবে না।

যখন আপনি আপনার কম্পিটিটর এর লেখা পড়বেন তখন আপনার অজান্তেই তার মতো করে লিখার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এটি স্বাভাবিক। গুগল কেনইবা এমন কোনো কন্টেন্ট কে রাংকিংয়ে আনবে? যেখানে এর আসল ভার্সন তাদের নিকট আগের থেকেই রয়েছে।

আপনার কম্পিটিটর এর কন্টেন্টি বিশ্লেষণ করুন। সাথে সাথে দেখুন কিরকম সাইটকে পেইজটি ইন্টার্নালি এবং এক্সটার্নালি লিংক করেছে। কিন্তু কন্টেন্টটি পড়বেন না।

সঠিকভাবে হেডিং ব্যবহার করুন

হেডিং ট্যাগ অর্থাৎ H1, H2, H3, H4, H5 ইত্যাদি সঠিকভাবে ব্যবহার করুন।

এক্ষেত্রে সবাই দুইরকমের কনফিউশনে থাকে।

প্রথমত H1, H2, H3, H4, H5 ইত্যাদি হেডিং ট্যাগ রাঙ্কিং ফ্যাক্টর নয়। তবুও H1, H2, H3, H4, H5 ইত্যাদি সঠিকভাবে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে খেয়াল রাখা উচিত। এখন হয়ত আপনি ভাবছেন যে এগুলো রাঙ্কিং ফ্যাক্টর নয়, তবুও কেনো এতো গুরুত্বপূর্ণ ? H1, H2, H3, H4, H5 ইত্যাদি এইচ টি এম এল এট্রিবিউটস ব্যবহার করে আপনি কন্টেন্টকে সঠিকভাবে ফরম্যাট করছেন। যার ফলে কন্টেন্ট একটি সঠিক শেইপ পায়। যার ফলে পাঠক এর সেটি পড়তে ভালো লাগে এবং পড়ে লিখাগুলো সহজে বুঝতে পারে।

হেডিং পাঠকদের একটি বিরতি নেয়ার সুযোগ দেয়। ১০০০ শব্দের কোনো আর্টিকেল একবারে পড়ে ফেলা অনেক কঠিন, কিছুটা বিরক্তিকর। তবে এক্ষেত্রে আর্টিকেলে যদি কয়েকটি হেডিং থাকে। তাহলে একটি হেডিং এর কন্টেন্ট পড়ে দ্বিতীয়টি পড়ার পূর্বে পাঠক কিছুটা হলেও বিরতি নিতে পারবেন।

এরকম ফরমেটিং পাঠকের নিকট কন্টেন্টকে পড়তে এবং বুঝতে সহায়তা করে। যার ফলে সে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে ভালো এক্সপেরিয়েন্স পায়। যেটিকে সার্চ ইঞ্জিন অনেক বেশি পছন্দ করে।

টেকনিক্যালি হেডিং ট্যাগ কে সার্চ ইঞ্জিন রাংকিংয়ে কোনো ইম্পর্টেন্স দেয় না। তবে এগুলো ব্যবহার করে কন্টেন্টকে ভালভাবে ফরমেটিং করলে পাঠকের পড়তে সুবিধা হয়। যেটিকে গুগল কিংবা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন বেশি পছন্দ করে।

লেখাগুলো ভালোভাবে সাজান

লেখাগুলো ভালোভাবে সাজানো অত্যন্ত জরুরি। লিখাগুলোর গুরুত্তপুর্ন কিওয়ার্ড বোল্ড কিংবা ইটালিক ফরমেটে রাখবেন। প্রয়োজনে লিস্ট এবং টেবিল ব্যবহার করুন। লিখাগুলোর গুরুত্তপুর্ন কিওয়ার্ড বোল্ড কিংবা ইটালিক ফরমেটে রাখলে সেটি পাঠকের চোখে পড়ে। যেটি তাকে পড়তে, এবং মনে রাখতে সাহায্য করবে।

আর্টিকেলে কিওয়ার্ড বোল্ড কিংবা ইটালিক করে দেয়া একটি সাধারণ কাজ। তবে অনেকেই আর্টিকেলে যতজায়গায় কিওয়ার্ড ব্যাবহৃত হয়েছে সবজায়গার কিওয়ার্ডগুলোকেই বোল্ড কিংবা ইটালিক করে দেয়।

এরকম কন্টেন্টে গুগল বিরক্ত হয়। আর্টিকেলে কিওয়ার্ড অসংগঠিতভাবে ব্যবহারের কোনো লাভ নেই। বার বার এভাবে কিওয়ার্ড অপ্রাকৃতিকভাবে ব্যবহারকে গুগল ভালো চোখে দেখে না। যার ফলে কন্টেন্ট রেঙ্কিং এ আসবে না।

বুলেট পয়েন্ট আপনার কন্টেন্টকে বোধগম্ম করে। আপনি বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করে পাঠকের নিকট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো তালিকা আকারে তুলে ধরেন। ফলে পাঠক এগুলো সহজে মনে রাখতে পারে। এজন্য সঠিকভাবে বুলেট পয়েন্টস ব্যবহার করা কন্টেন্টগুলো সহজে রাঙ্কিং এ আসে।

কি ওয়ার্ডকে সঠিক স্থানে ব্যবহার করুন

কন্টেন্টকে এস ই ও ফ্রেন্ডলি করার জন্য কি ওয়ার্ডকে সঠিক স্থানে ব্যবহার করুন। কিওয়ার্ড ডেনসিটি বলতে আসলে কিছু নেই। এটি Moz এর একটি প্যারামিটার। সরাসরি গুগলের এরকম কোনো রাংকিং এর ক্যাটাগরি নেই। তবে কি ওয়ার্ড অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। সমস্যা হলো বেশিরভাগ কন্টেন্ট রাইটার কি ওয়ার্ডকে সেই স্থানে ব্যবহার করে না যেখানে ব্যবহার করা উচিত। আপনার কন্টেন্টের পাঁচটি এমন জায়গা রয়েছে যেখানে কিওয়ার্ড অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত।

  1. মেটা টাইটেল
  2. মেটা ডেসক্রিপশন
  3. H1 ট্যাগ
  4. অন্তত একটি ইন্টারনাল লিংকের আঙ্কোর টেক্সটে
  5. অন্তত একটি এক্সটার্নাল লিংকের আঙ্কোর টেক্সটে

এই পাঁচটি স্থানে কিওয়ার্ড স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করা উচিত। অস্বাভাবিক এবংঅনর্থকভাবে কিওয়ার্ড যুক্ত করা মোটেও ঠিক নয়। যে কি ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে কন্টেন্ট লিখা হচ্ছে ঠিক সেভাবেই কিওয়ার্ড রিপিট করার দরকার নেই। গুগল সরাসরি ভাষা না বুঝলেও শব্দগুলোর সমন্বয় বুঝতে পারে, প্রতিশব্দ বের করতে পারে।

যদি আপনি নিশ্চিত না হন যে ব্যাবহৃত প্রতিশব্দটি গুগল বুঝতে পারবে কিনা তাহলে আপনি গুগলে ওই প্রতিশব্দটি সার্চ করে রেসাল্ট থেকে জেনে নিতে পারেন।

এগুলো ছিল কিছু মৌলিক অনুশীলন। যেগুলো আপনার অবশ্যই খেয়াল করা উচিত। এছাড়াও আরও কিছু দীর্ঘ মেয়াদী অনুশীলন রয়েছে যেগুলো আপনার অবশ্যই মেনে চলা উচিত। ‘

দীর্ঘ মেয়াদী অনুশীলন

  1. প্রতিদিন অনুশীলন করুন
  2. পাঠকের মতো চিন্তা করুন
  3. প্রয়োজনের চাইতে বেশি বড় কন্টেন্ট লিখবেন না
  4. বানান এবং ব্যাকরণের দিকে খেয়াল রাখবেন

প্রতিদিন অনুশীলন করুন

শুরুতেই আমরা বলেছি যে লিখাও একটি দক্ষতা। এটি অর্জনেও অনুশীলন করতে হবে। আপনি এক দিন কিংবা এক মাসে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন না। নিয়মিত বারবার লিখতে লিখতে আপনার লিখার গতি বাড়বে। পূর্বে উল্লেখিত পয়েন্টগুলোতে যে বিষয়গুলো বলা হয়েছে সেগুলো লিখতে লিখতেই আপনি অর্জন করবেন।

পাঠকের মতো চিন্তা করুন

পাঠকের মতো চিন্তা করুন। ব্লগ কিংবা ওয়েবসাইটে লিখার সময় পাঠকের মতো করে চিন্তা করবেন। সার্চ ইঞ্জিনে সবাই সাধারণ লিখা পড়তে আসে না। তারা একটি প্রশ্ন এর সমাধানের খোঁজে আসে। আপনার কন্টেন্টের উদ্দেশ্য হবে সেই প্রশ্নটিকে বর্ণনা করা এবং এর উত্তরকে সেরা উপায় বোঝানো এবং উপস্থাপন করা।

প্রয়োজনের চাইতে বেশি বড় কন্টেন্ট লিখবেন না

প্রয়োজনের চাইতে বেশি বড় কন্টেন্ট লিখবেন না।

একটি অত্যন্ত ভুল তথ্য সবার মাঝে ছড়িয়েছে যে ১৮০০ – ৩০০০ শব্দের কন্টেন্ট লিখলে পোস্ট রাঙ্কিংয়ে আসবে। এটি আসলে সম্পূর্ণ ভুল তথ্য। এটি কোনো নিবন্ধের প্রতিযোগিতা নয়। স্বাভাবিকভাবেই যে কেউ যত পারে টোটো কম পড়তে চায়। যদি সবারই পড়তে ভালো লাগতো তাহলে তো সবাই প্রথম স্থান অধিকার করতো।

মানুষের সাধারণ চিন্তাধারা অনুযায়ী মানুষ কম পরিশ্রমে বেশি ফলাফল পেতে চায়। তাই আপনি যত সংক্ষেপে আপনার জানা তথ্য সঠিক উপায়ে পূর্ণাঙ্গভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন তত ভালো ফল পাবেন।

কনটেন্ট বড় হওয়া উচিত না কিংবা একদম ছোট হওয়াও উচিত না। যতটুকু লিখলে পাঠক সম্পূর্ণ তথ্য পাবে ঠিক ততটুকুই লিখবেন।

বানান এবং ব্যাকরণের দিকে খেয়াল রাখবেন

যেই ভাষাতেই আপনি কনটেন্ট লিখুন না কে কেন অবশ্যই বানান এবং ব্যাকরণের দিকে খেয়াল রাখবেন।

বানান এবং ব্যাকরণের ভুল সার্চ ইঞ্জিন এবং পাঠকদের বিভ্রান্ত করতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন আপনার লিখাকে যদি না বুঝতে পারে তাহলে আপনার লিখা ভালো রাংকিং পাবে না।

ইংরেজিতে লিখার সময় শুধু গ্রামারলি এক্সটেনশনের উপর ভরসা করবেন না। নিজে থেকে একবার পড়ে নিয়ে ভুল সংশোধন করে নিবেন।

উপসংহার

এগুলো ছিল ব্লগিং এর জন্য সাধারন কিছু কন্টেন্ট লিখার টিপস। এই মৌলিক এবং দীর্ঘ মেয়াদী অনুশীলন এর পয়েন্টগুলি মাথায় রেখে চললে আপনার কন্টেন্ট রাইটিং আসতে আসতে ভালো হবে এবং সবশেষে আপনি সেরা ফল পেতে পারেন।

Monjirul

I am passionate about content publishing in Blogger and WordPress. I am working on many blogs. But Travel Nature Exhibition is my favorite one. The website address is travelnature.info

Leave a Reply